টানা আট দিন ধরে চলছে ফিলিস্তিন-ইসরাইলের পাল্টাপাল্টি হামলা। এতে এখন পর্যন্ত ইসরাইলের ১৩শ’ জনের মৃত্যু হলেও ফিলিস্তিনে নিহত হয়েছে ১ হাজার নয়শ জন। ইসরাইলের টানা হামলায় অনেকটা দিশেহারা অবস্থা গাজা উপত্যকাবাসীর। হামলা চালানো হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ সিরিয়া এবং লেবাননেও। এই সব হামলার সংবাদ সংগ্রহকালে প্রাণ গেছে নয়জন সাংবাদিকেরও। এছাড়া আহত হয়েছে আরও অনেক সাংবাদিক।
শুক্রবার (১৪ই অক্টোবর) লেবাননে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক ফটো সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নিহত ফটো সাংবাদিকের নাম ইশাম আব্দুল্লাহ। তিনি একটি পাহাড়ে ইসরাইলের গোলাগুলির একটি ব্যারাকের চিত্র ধারণ করছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী একটি ট্যাংক থেকে তাদের উপর সরাসরি গোলা ছোড়ে। এ হামলায় আল জাজিরা, রয়টার্স, এপিসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (১০ই অক্টোবর) ভোরে ইসরাইলি বিমান হামলায় চার ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত হন। তারা হলেন আল-খামিসা নিউজ এজেন্সির পরিচালক সাইদ আল-তাবিল, ফটো সাংবাদিক মোহাম্মদ সোব্বোহ ও গাজার একটি সংবাদ সংস্থার সংবাদদাতা হিশাম নাওয়াজহা ও নারী সাংবাদিক কমিটির প্রধান সালাম খলিল।
এর মধ্যে গাজা শহরের এক বন্দরের কাছে একটি আবাসিক ভবন আশপাশে কাজ করার সময় তিনজন নিহত হন। আর সালাম খলিল নামের নারী সাংবাদিক মারা যান তার নিজ বাড়িতে ইসরাইলি বোমা হামলায়।
এছাড়া রোববার (৮ই অক্টোবর) সাংবাদিক আসাদ শামলাখ নিহত হন। এর আগের দিন শনিবার প্রাণ যায় আরও তিন সাংবাদিকের। তারা ফটোগ্রাফার ইব্রাহিম মোহাম্মদ লাফি, রিপোর্টার মোহাম্মদ জারঘুন ও মোহাম্মদ এল-সালহি। তারা সবাই সংবাদ সংগ্রহের সময় ইসরাইলের হামলায় প্রাণ হারান।